শিক্ষণীয়_ঘটনা
একজন সম্ভ্রান্ত নারীর বিয়ে হল
ইসমাইল নামে একজন পুরুষের
সাথে। যিনি ছিলেন একজন
পরহেযগার,
আল্লাহওয়ালা এবং বড়
আলেম ছিলেন।
তিনি হজরত ইমাম মালেক
(রহঃ) এঁর
শিষ্য ছিলেন।
বিয়ের ফলশ্রুতিতে আল্লাহ
তায়ালা
তাদের একটি ছেলে দান
করেন।
তার নাম রাখেন
মোহাম্মাদ।
বিয়ের কয়েক বছরের মাথায়
স্বামী
ইসমাইল ইন্তেকাল করেন।
তবে তিনি স্ত্রী-পুত্রের
জন্যে যথেষ্ট
সম্পদ রেখে যান।
পিতার ইন্তেকালের পর
মাতা
ছেলের লালন-পালনের
জন্যে পূর্ণ
আত্মনিয়োগ করেন।
মার আশা তার ছেলে বড়
আলেম হবে।
তার জ্ঞানের আলো পুরা
পৃথিবীতে
ছড়িয়ে যাবে।
কিন্তু ছেলের জ্ঞান
অর্জনের পিছনে
বাধা হয়ে দাড়ালো তার
অন্ধত্ব।
ফলে মার দুঃখের সীমা
থাকল না।
এখন মার কাছে একটাই পথ
খোলা, তা
হল আল্লাহর কাছে দোয়া
করা।
তাই মা আল্লাহর কাছে
দোয়া করতে
লাগলেন।
অতঃপর এক রাতে স্বপ্ন
দেখেন যে,
ইবরাহীম (আঃ) বলছেন, হে
নারী!
তোমার ছেলের চোখ
ভালো হয়ে
গেছে।
সকালে যখন তার ছেলে ঘুম
থেকে
জাগ্রত হয়, তখন মা দেখলেন
তার
ছেলের চোখ সত্যিই ভালো
হয়ে
গেছে।
আপনারা কি জানেন, এই
দোয়া
প্রার্থনাকারীনি মা কে
ছিলেন?
তিনি ছিলেন হজরত ইমাম
বোখারী
(রহঃ) এঁর মাতা।
আল্লাহ তায়ালা ইমাম
বোখারী
(রহঃ) এঁর মায়ের দোয়ার
বদৌলতে
তাঁর
অন্ধত্ব দূর করে দেন এবং
মায়ের দোয়ার
বদৌলতে আল্লাহ ইমাম
বোখারী
(রহঃ)
কে এমন জ্ঞান দান করেন
যে, তাঁর
লেখা হাদিস গ্রন্থ
বোখারী শরীফকে
বিশুদ্ধতার দিক দিয়ে
কোরআনের পরেই
স্থান দেন।
অর্থাৎ বিশুদ্ধতার দিক
দিয়ে
কোরআনের পরেই বোখারী
শরীফের
স্থান।
আর মায়ের দোয়ার
বদৌলতে ইমাম
বোখারী হয়ে গেলেন সকল
হাদীসবীদদের ইমাম
(নেতা)।
তাইতো হাদীসে বলা
হয়েছে, রবের
সন্তুষ্টি পিতা-মাতার
সন্তুষ্টির মধ্যে
নিহিত।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের
পিতামাতাকে #
জান্নাতুল_ফিরদা
উস
দান করুন।
যাদের পিতামাতা বেঁচে
আছে
তাদের বেশী বেশী খিদমত
করার
তৌফিক দান করুন।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *