৫০০০ শয্যার হাসপাতাল বানাবে বসুন্ধরা গ্রুপ

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য মাত্র ১০ দিনে উহান শহরে হাসপাতাল নির্মাণ করে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়েছিল চীন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এক হাজার শয্যার সেই হুশেনশান হাসপাতালের চেয়ে ৫ গুণ বড় ৫ হাজার শয্যার হাসাপাতাল তৈরি করবে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা অনুদানকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ প্রস্তাব দেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।

লিখিতভাবে এ প্রস্তাব জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিও হস্তান্তর করেন সায়েম সোবহান।

লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, রাজধানীর কুড়িলে বসুন্ধরার চারটি কনভেনশন সেন্টার ও একটি ট্রেড সেন্টারকে ৫ হাজার শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বসুন্ধরা গ্রুপের এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।

দীর্ঘদিন ধরে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে বসুন্ধরা গ্রুপ। নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি জাতির যে কোনো সংকটে সহায়ক শক্তি হয়ে সরকারের পাশে দাঁড়ায় প্রতিষ্ঠানটি।

তারই ধারাবাহিকতায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি রাজধানীর তিন’শ ফিট সড়কের পাশে ইন্টারন্যাশন্যাল কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরা ও বসুন্ধরা ট্রেড সেন্টারকে হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করার প্রস্তাব দেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।

ইন্টারন্যাশন্যাল কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরার চারটি হল রুম আছে। বড় হল রুমটি ৩০ হাজার স্কয়ার ফিট এবং বাকি তিনটি হল রুমের প্রতিটি ২৪ হাজার স্কয়ার ফিট। এছাড়া বসুন্ধরা ট্রেড সেন্টারের আয়তন এক লাখ ৫০ হাজার স্কয়ার ফিট। এসব স্থাপনায় ৫ হাজার বেডের হাসপাতাল তৈরি করা সম্ভব।

পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ, আলাদা রান্নার ব্যবস্থা ছাড়াও আধুনিক পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থাপণাসহ করোনা ভাইরাস হাসপাতালের জন্য সব ধরনের সুযোগ সুবিধা আছে এখানে।

এদিকে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ঢাকা সিটির চারটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের কাছে গরিবদের মধ্যে নিয়মিত খাবার বিতরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন। পরিকল্পনা করছেন আরও বড় পরিসরে কিছু করার।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *