খেলাফত আন্দোলনের অফিসিয়াল ইমেল থেকে পাঠানো এক বিবৃতি দিয়ে জাতীকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া সহ সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিউজ প্রচার করা হয় ।

খেলাফত আন্দোলনের অফিসিয়াল ইমেল থেকে পাঠানো এক বিবৃতি দিয়ে জাতীকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া সহ সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিউজ প্রচার করা হয় ।

প্রতিবেদন ডেস্কঃ বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধায় শীর্ষ ১৫ আলেমের প্রজ্ঞাপন।

মসজিদ উন্মুক্ত করে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শীর্ষ ১৫ আলেমের বিবৃতি  তবে উল্লেখিত শীর্ষ ১৫ আলেমের অনেকেই জানেননা উক্ত বিবৃতি  সম্পর্কে।

 শীর্ষ  আলেমগণের নাম ব্যবহার করে, কে বা কারা জাতির এই দুর্দিনে এমন বিশ্ব উলামায়ে কেরামের সিদ্ধান্তের বিপরীত স্বাস্থ্য ঝুঁকির প্রজ্ঞাপন জারি করে সচেতন উলামায়ে কেরাম সহ জাতীকে বিভ্রান্তিতে ফেলে – খতিয়ে দেখার আহ্বান বিশ্লেষকদের।

করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করায় সরকারের পক্ষ থেকে মসজিদে জনসমাগম রোধে যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, তা প্রত্যাহার করে মসজিদগুলো উন্মুক্ত করে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশের শীর্ষ ১৫ আলেম।

বিবৃতিদাতা শীর্ষ আলেমরা হচ্ছেন, চট্রগ্রাম বাবুনগর মাদরাসার মহাপরিচালক মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর সহকারি মহাপরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও প্রধান মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী, বারিধারা মাদরাসার মহাপরিচালক ও শায়খুল হাদিস আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী, জামিয়া নুরিয়া কামরাঙ্গিচরের মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, সাবেক মন্ত্রী মুফতী ওয়াক্কাস, জামিয়া ইউনুসিয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়ার মহাপরিচালক মাওলানা মুফতী মুবারকুল্লাহ, মারকাজুল উলুম খুলনার মহাপরিচালক মুফতী গোলাম রহমান, শায়খুল হাদিস মাওলানা সোলায়মান নোমানী, শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসমাঈল বরিশালী, শায়খুল হাদিস মাওলানা শেখ আজীমুদ্দীন, জামিয়া নুরিয়ার প্রধান মুফতী মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, শায়খুল হাদিস শাইখ নাসিরুদ্দিন ও মুফতী ওমর ফারুক বিন মুফতি নুরুল্লাহ।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধায় খেলাফত আন্দোলনের অফিসিয়াল ইমেল থেকে পাঠানোর এক বিবৃতিতে তাঁরা এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে শীর্ষ আলেমরা বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারী থেকে পরিত্রানের জন্য সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ গ্রহনযোগ্য ও প্রশংসনীয়। তবে মুসল্লিদের সংখ্যা নির্ধারনের কারনে বিভিন্ন স্থানে মসজিদে তালা লাগানো, ইমাম-মুআজ্জিন, প্রবীণ ও নিয়মিত মুসল্লিদের হয়রানি অত্যান্ত বেদনাদায়ক। ওলামায়ে কেরাম বলেন, কাঁচা বাজারগুলোতে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত জনসমাগমের বৈধতা থাকলে আল্লাহর ফরজ বিধান জুমা ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য অজু ও পবিত্রতার সাথে স্বল্প সময়ে সাধারণ মুসল্লিদের মসজিদে উপস্থিতির ব্যাপারে কঠোরতা আরোপ ও সংখ্যা নির্ধারন যুক্তি সংগত নয়।

তাঁরা আরো বলেন, আল্লাহর বিশেষ রহমত অর্জন এবং আল্লাহর গজব করোনা মহামারী থেকে মুক্তি লাভের জন্য সংখ্যার শর্ত তুলে দিয়ে সীমিত সময়ে মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের নিকট দাবী জানাচ্ছি। এ মহৎ উদ্যোগ আল্লাহর রহমতকে তরান্বিত করবে এবং দেশ ও জাতির জন্য কল্যান বয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *