বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র

১৩ই এপ্রিল, সোমবার, ২০২০

দ্যা ভয়েস অফ ঢাকা প্রতিবেন ডেস্কঃ  বিদ্যুৎ উৎপাদনে শুরু করেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্মিত দেশের প্রথম কয়লা ভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

 

আজ রোববার এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাণিজ্যিকভাবে সরবরাহের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। খবর, ইউএনবি’র।

 

বাংলাদেশের নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি এবং চায়নার ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন যৌথভাবে ২০১৬ সালে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে এক হাজার দুই একর জমির উপর শুরু করে দেশের প্রথম কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রর র্নিমান কাজ।

 

প্রায় আট হাজার চীনা ও দেশি র্নিমাণ শ্রমিকসহ কর্মকর্তাদের বিরতীহীন শ্রমে পায়রা বন্দরে আমদানিকৃত কয়লার মাধ্যমে ইতোমধ্যেই পরীক্ষামুলক উৎপাদন শুরু করেছে প্লান্টের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

 

বিসিপিসিএল নির্বাহী প্রকৌশলী রেজোয়ান ইকবাল খান জানিয়েছেন, ১৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ডবল সার্কিটের হাই ভোল্টেজ লাইনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর উপজেলায় নির্মিত ৪০০/২৩০ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র থেকে ফেব্রেুয়ারিতে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এ বিদ্যুৎ।

 

বিসিপিসিএল জুনিয়র এ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার শাহ মইন জিকো বলেন, নদী থেকে সংগৃহীত ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত পানির ব্যবহারের পরিমাণ অনেক কম হবে বলেই, পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে দেশের প্রথম পরিবেশবান্ধব ও জনহিতকর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র।

 

বিসিপিসিএল প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক শাহ আবদুল মওলা জানিয়েছেন, নাব্যতা সংকটের কারণে পায়রা বিদ্যুত কেন্দ্রের চাহিদা মাফিক কয়লা সরবরাহ করতে পারছে না মাদার ভ্যাসেল জাহাজগুলো। ফলে, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কয়লার চাহিদা পুরণ করতে পারছে না। যা নিয়ে চিন্তিত পায়রা তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।

 

বড় এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণ কাজ ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হলে, পর্যায়ক্রমে পরিবেশবান্ধব সুপার আল্ট্রারা টেকনোলজি সম্পন্ন এ প্লান্ট থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে কয়লা, নির্গত ধোঁয়া ও বায়ো ভিত্তিক উৎপাদিত ২৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *