আর কত ও কিভাবে বুঝালে মানুষ সতর্ক হবে! র‍্যাব-৯,কমান্ডার আনোয়ার হুসাইন।

বৃহঃস্পতিবার, ১৬ই এপ্রিল, ২০২০

মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আন্তরিকতা রেখেই প্রতিদিন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন- অসহায় জনতার বন্ধু কমান্ডার আনোয়ার হুসাইন।

আর কত ও কিভাবে বুঝালে সচেতন ও সতর্ক হবে মানুষ ?

দ্যা ভয়েস অফ ঢাকা প্রতিবেন ডেস্ক: কমান্ডার আনোয়ার হুসাইন-  লাঠি হাতে নেওয়া আমার খুব অপছন্দের কাজগুলোর মধ্যে একটি। লাঠি হাতে কাউকে তাড়া করা আমার কাছে ওই ব্যক্তির মনুষ্যত্বের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রকাশকারী আচরণ বলেই মনে হয়। ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি বিরূপ হলেও চাকুরীসূত্রে শ্রুতিকটু এই জিনিসটা হাতে তুলে নিইপ্রায়ই। যেমন আজ….।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অন্তত ৫০টি ছোটবড় বাজার ঘুরেছি। সবগুলোর ছবি দিলে আপনারা ধৈর্যহারা হবেন। সব জায়গায় অভিন্ন চিত্র। দূর থেকে দেখি বাজারে লোক সমাগম। বাজারের ওপর দিয়ে সাইরেন বাজিয়ে গাড়িবহর নিয়ে অতিক্রম করার সময় দেখি মুহূর্তে ভোজবাজির মতো সব গায়েব। বাজার পার হয়ে একটু দূরে যাওয়ার পর পেছন ফিরে দেখি আবার….। গাড়ি ঘুরিয়ে বাজারের দিকে সামান্য এগুতেই দেখি আবার সব গায়েব!!!! দিনভর এই ইঁডুর- বিড়াল খেলা আমাকে লাঠি হাতে নিতে বাধ্য করেছে।

সরকার /পুলিশ/ র‍্যাব আপনাদেরকে বাঁচাতে চাইছে। আর আপনি চাইছেন আত্মহত্যা। নানান সত্যমিথ্যা কথার বেড়াজালে আমাকে হয়তো সহজে ফাঁকি দিতে পারছেন, কিন্তু করোনা ভাইরাসকে??? এখুনি যদি সংশোধন না হন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে কিন্তু!!! আপনার সুমতি ফেরার অপেক্ষায়।

মানবতার কাণ্ডারি, কমান্ডার আনোয়ার হুসাইন

তিনি বলেন,  মেথর পট্টিতে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছি। অনেকেই বলতে পারেন, এক প্যাকেট খাবারে একটা পরিবারের কি হবে! হয়তো কিছুই হবে না। চোখের সামনে মেথর পরিবারের বাচ্চাদের খেতে দেখে মনে অসীম শান্তি পেয়েছি- আমার প্রাপ্তি বলতে এটুকুই। খুব ভাল হতো প্রতি পরিবারে যদি এমন ৫/৬ টা করে খাবারের প্যাকেট দিতে পারলে! সাধ আছে, কিন্তু সাধ্য তো নেই।

আমাদেরকে পরিষ্কার রাখতে তারা নিজেরা অপরিষ্কার হন প্রতিদিনই। সেই মেথর ভাইদের দুর্দিনে তাদের সাথে এক বেলা নিজের খাবার ভাগাভাগি করতে পেরে সত্যি মহাতৃপ্ত আমি।

আর্ত মানবতার সেবাই কমান্ডার আনোয়ার হুসাইন

ক্ষুধার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন কমান্ডার আনোয়ার হুসাইন সহ পুরো টীম।

Our little gift for a paralysed old woman…. by ASP Md. Anwar Hossan Shamim, RAB-9

দুই পা প্যারালাইজড হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ হুইল চেয়ারেই আটকে আছে তাঁর জীবন। নড়াচড়া, টয়লেট, গোসলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ! মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে যোগ হয়েছিল ক্ষুধার জ্বলা। এই চাচিসহ ওই এলাকার মোট ৮০ টি পরিবারের এই কষ্টে সামান্য প্রলেপ দেওয়ার বাসনায় ছোট কলেবরের বস্তাগুলো নিয়ে ছুটে গিয়েছিলাম তাদের কাছে। কখনো কখনো মনে হয়, ক্ষুদ্র এ মানবজন্ম এখনই যদি শেষ হয়েও যায়, তাতে কোন আফসোস থাকবে না। এটা তেমনই এক মুহূর্ত।[ যারা ভিডিওটি ডাউনলোড করে নিজেদের আইডি/গ্রুপ/পেজে পোস্ট করতে চান, তারা অবশ্যই কার্টেসি উল্লেখ করতে ভুলবেন না, প্লিজ]।Md. Anwar Hossan (Shamim Anwar)এএসপি, র‍্যাব-৯, সিলেট।কমান্ডার, শ্রীমঙ্গল র‍্যাব ক্যাম্প।

Posted by Shamim Anwar on Monday, April 13, 2020

সূত্র- Md. Anwar Hossan (Shamim Anwar)
এএসপি, র‍্যাব-৯, সিলেট।
কমান্ডার, শ্রীমঙ্গল র‍্যাব ক্যাম্প।

Shamim Anwar  ফেসবুক আইডির  টাইমলাইন থেকে। 

vod-16042020

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *